বিসিএল নিয়ে ভিন্ন সুর আকরাম-সুজনের

বিসিএল নিয়ে ভিন্ন সুর আকরাম-সুজনের

২৮শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আসছে অস্ট্রেলিয়া। এরই মধ্যে বাংলাদেশে পালিত হবে ঈদুল আযহা। ঈদের ছুটি কাটিয়েই অস্ট্রেলিয়া মিশনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সিরিজে  শুধু দু’টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে অজিরা। তাই ঈদের ছুটির আগে ফ্র্যাঞ্চাইচি ভিত্তিক চারদিনের ক্রিকেটে লীগ বিসিএল’র প্রথম রাউন্ড আয়োজনের চিন্তা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যাতে চার দিনের ম্যাচ খেলেই যেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে টাইগারদের মানসিক প্রস্তুতিটা ভাল হয়। এই বিষয়ে গতকাল টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বিসিএল আয়োজনে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এখনও এটি নিয়ে আলোচনা করছি। বিসিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে প্রস্তুাব দেয়া হবে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে রাজি হলে সেটি সম্ভব।’ অন্যদিকে বিসিবি’র আরেক পরিচালক ও জাতীয় দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনের কণ্ঠে শোনা গেল ভিন্ন সুর। তিনি বলেন, ‘আসলে বিসিএল আয়োজন মনে হয় সম্ভব হবে না কারণ সেই সময় ঈদের ছুটি থাকবে।’ তাই দুই পরিচালকের ভিন্ন সুরই অনেকটা পরিষ্কার করে দিচ্ছে অজিদের বিপক্ষে বিসিএল আয়োজনের পরিকল্পনাটা হয়তো আলোচনাতেই থেকে যাবে। খালেদ মাহমুদ সুজন শুধু বিসিবি’র পরিচালকই নন, তিনি বিসিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি দল প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের ম্যানেজার এবং কোচও।
বিসিএল আয়োজনের পরিকল্পনার কথাটি শোনা যায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ চালাকালীন সময়। গতকাল এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আকরাম খান বলেন, ‘আসলে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আমরা চিন্তা করেছিলাম যদি সম্ভব হয় তাহলে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় সেটি আযোজন কররবো। তবে তার আগে আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে আরও আলোচনা করতে হবে।’ অন্যদিকে আকরাম খানের এমন পরিকল্পনার কথা সঠিক বললেও আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি বলেন, ‘তিনি (আকরাম খান) ঠিকই বলেছেন। কিন্তু এত অল্প সময় ও ঈদের আগে আমার মনে হয় না সেটি সম্ভব হবে।’
অন্যদিকে জানা গেছে বিসিসিএল আয়োজনের পরিকল্পনার কথাটি ওঠতে আসতে নড়েচড়ে বসেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। কারণ বর্ষা মওসুমে চারদিনের ম্যাচ আয়োজন করার পক্ষে নেই অনেকেই। এরই মধ্যে বৃষ্টি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২ টেস্টের ছয়টি দিন ভেসে গেছে। তারপর থেকেই শঙ্কাটি খুব জোরেশোরেই  দেখা দিয়েছে। বর্ষা মওসুমে বিসিএল আয়োজন হলে হয়তো অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজিই খেলতে চাইবে না এমনটাই শোনা যাচ্ছিল। এই বিষয়ে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের সমন্বয়ক উদয় হাকিম বলেন, ‘আসলে আমরা বিসিবি থেকে বিসিএল খেলার নিয়ে কোন প্রস্তাবই পাইনি। যদি প্রস্তাব পাই তাহলে ভাববো। আর বর্ষা মওসুমে  কেউ খেলতে চাইবে কিনা সেটি এখনই বলতে চাইছিনা। যেহেতু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রস্তুতির জন্য এই আয়োজনের চিন্তা এখন জাতীয় স্বার্থ জাড়িত। তাই প্রস্তাব এলে ওয়ালটনের পক্ষ থেকে ভেবে দেখা হবে।’
মূল বিসিএল বিসিবির বিসিএল আয়োজনের ইচ্ছা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বর্ষা মওসুমের কারণে বাকি তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি টাকা খরচ করে খেলতে চাইবে কিনা তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট প্রশ্ন।

এই বিভাগের সর্বশেষ

আজকের সর্বশেষ সংবাদ

ফেইসবুকে আমরা

ইউটিউবে আমরা