মুন্সিগঞ্জ, ২৩ নভেম্বর ২০২৫, নিজস্ব প্রতিবেদক (আমার বিক্রমপুর)
মুন্সিগঞ্জ শহরে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা। পরে পুলিশ শিক্ষক রোমান মিয়াকে (৩৩) উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা সদর থানায় বাদী হয়ে মামলা রুজু করলে পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে।
আজ রোববার দুপুরে শহরের উত্তর ইসলামপুর এলাকার পিটিআই পরীক্ষণ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচর্জ (ওসি) এম সাইফুল আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক রোমান মিয়ার বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বৌ-বাড়ি গ্রামে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে বিদ্যালয়ের ওয়াশরুমে ওই ছাত্রীকে ডেকে নেয় শিক্ষক রোমান মিয়া। এসময় ছাত্রীর জামা-কাপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এতে সে আর্তচিৎকার করে পালিয়ে আসে। পরবর্তীতে ওই ছাত্রী নিজ বাড়িতে ফিরে তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। ওইদিনই ছাত্রীর বাবা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। তিনি পিটিআই পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের সুপারিনটেনডেন্ট মো. আমিনুল ইসলামকে ঘটনা জানান। কিন্তু সুপারিনটেনডেন্ট কোনো পদক্ষেন নেননি।
সদর থানার ওসি জানান, রোববার সকালে ছাত্রীর পরিবারসুদ্ধ এলাকার জনগণ বিদ্যালয়ে ছুটে এসে ওই শিক্ষককে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে পৌছে শিক্ষককে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় দুপুরে সদর থানায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরন করেছে।
বিদ্যালয়ের সুপারিনটেনডেন্ট মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি বৃহস্পতিবারই ঘটনা জেনেছিলাম। আমি ছাত্রীর পরিবারকে রোববার বিদ্যালয়ে আসার জন্য বলেছিলাম। এসময় এলাকাবাসী এসে শিক্ষককে শনাক্ত করে বাইরে নিয়ে মারধর করে।
